নারী জাগরণ ও সমৃদ্ধতায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে

নারী জাগরণ ও সমৃদ্ধতায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে

আগের সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল: ৩১৪ চরমপন্থিকে দেয়া হবে টাকা

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল: ৩১৪ চরমপন্থিকে দেয়া হবে টাকা

পরের সংবাদ

খুলনা টিটিসির অধ্যক্ষকে সরাতে নানামুখী অপতৎপরতা

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ , ৭:২৭ অপরাহ্ণ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ , ৭:২৭ অপরাহ্ণ

খুলনা নগরীর তেলিগাতিস্থ ‘খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’র (টিটিসি) অধ্যক্ষকে অপসারণ করার জন্য একটি মহল নানাবিধ তৎপরতায় লিপ্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ সে অধ্যক্ষকে কর্মস্থল থেকে চলে যেতে নানাবিধ হুমকি দিয়ে আসছে মহলটি। উক্ত প্রতিষ্ঠানের কতিপয় বিতর্কিত কর্মচারী ও স্থানীয় একটি কুচক্রীমহলের সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটিকে বিতর্কিত করতে দীর্ঘদিন যাবত অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, খুলনা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অধ্যক্ষ হিসেবে কাজী বরকতুল ইসলাম ২০২২ সালে যোগদানের পর থেকে প্রতিষ্ঠানের পূর্বের সকল অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দুর করতে ব্যবস্থা নিলে কিছু কর্মকর্তা বিরাগভাজন হন। এছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানের পুরাতন ফ্যান চুরির ঘটনায় কিছু স্থানীয়রা তার পিছনে অপপ্রচার শুরু করে। তারপরই শুরু হয় বরকতুল ইসলামের নামে ঢাকা ও খুলনার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে নামে-বেনামে দরখাস্ত। এমনকি আদালতে নালিশী মামলা পর্যন্ত করা হয়েছে তার নামে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দু- চারজন কর্মচারী বহিরাগতদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে অধ্যক্ষকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল শ্লোগান দিচ্ছিলো। পরে আন্দোলনকারীদের মধ্যে এ প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মচারীকে এইরকম অশালীন আন্দোলন করা যায় কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে কোন মূল্যে উনাকে এখান থেকে বিদায় করা হবে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মচারীরা জানান, বর্তমান অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলাম একজন সৎ ও নামাজী ব্যক্তি। যোগদানের পর থেকে বহিরাগতদের অনিয়মতান্ত্রিক দাবী তিনি কখনো আমলে নেন না। সর্বশেষ গাছ প্রজেক্টের প্রথমদফা টেন্ডারে সিন্ডিকেট করেও সে অপচেষ্টায় তারা ব্যর্থ হলে কাজী বরকতুল ইসলামের প্রতি স্থানীয় সুবিধাবাদী একটি চক্র ক্ষেপে যায়। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য দ্বিতীয় দফা গাছ নিলামে সরকার ব্যাপক রাজস্ব আয় করলে উক্ত পক্ষের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পুরাতন কয়েকজন স্টাফ জড়িয়ে অধ্যক্ষকে সরানোর চূড়ান্ত চক্রান্তে নেমে পড়েন।

এব্যাপারে অধ্যক্ষ কাজী বরকতুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি অফিসের কাজে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছিলাম। পরে জানতে পেরেছি কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী আমাকে নিয়ে আজে-বাজে কথা বলেছে। আমি বিষয়টি নিয়ম মোতাবেক প্রধান কার্যালয়ে অবহিত করবো।

এসি

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়