২ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

আগের সংবাদ
বিডিইউ-ওয়ালটনের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর

বিডিইউ-ওয়ালটনের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর

পরের সংবাদ

অপহৃত রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার, অপহরণ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩ , ৪:৩৫ অপরাহ্ণ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩ , ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া এক রোহিঙ্গা শিশুকে উদ্ধার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। এসময় অপহরণকারী চক্রের তিন সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত শিশু মোঃ রায়হান (৪) ১৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ/১ ব্লকের আবু জাফর ও রেহেনা বেগমের পুত্র।

গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলো-টেকনাফের মোছনী রেজিষ্টার্ড ক্যাম্প-২৬ এর সি ব্লকের মো. আমিনের পুত্র সাদেক হোসাইন (২৫), তারই আপন বোন রোকসানা (১৫) এবং একই ক্যাম্পের দিল মোহাম্মদের পুত্র আমির ফয়সাল (২৩)। তাদের মধ্যে অপহরণ চক্রের মূল হোতা সাদেক হোসেন জামতলি বাজার সংলগ্ন জহুর আলমের বাসায় ভাড়া থাকতো।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য জানান-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিয়া (সার্কেল) মো. রাসেল।

তিনি আরো বলেন, গত ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে অপহরণ চক্রের হোতা সাদেক ও ফয়সাল রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬ থেকে ৪ বছরের এক শিশুকে ২০ টাকা লোভ দেখিয়ে অপহরণ করে টেকনাফের মুছুনী রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের পিছনে দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে শিশুটির উপর পাষবিক নির্যাতন চালিয়ে তার বাবা-মাকে কান্নার শব্দ শুনিয়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন এবং না দিলে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেন তারা।

এমতাবস্থায় কোনো উপায় না পেয়ে উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন-ভুক্তভোগীর মা রেহেনা বেগম।

এরপর তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে উখিয়া ও টেকনাফ থানার চৌকস আভিযানিক দল দুর্গম পাহাড়ে ঢালে বিভিন্ন ঝুপড়ি ঘরে শিশুটির সন্ধানে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং দিনের বেলা ড্রোনের মাধ্যমে পাহাড়ের উপর থেকে অনুসন্ধান করা হয় দুর্বৃত্তদের অবস্থান।

অবশেষে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সাদেককে জামতলী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার দেখানো মতে মুছুনী ক্যাম্পের সি ব্লক থেকে অপহরণ চক্রের আরেক সদস্য তার বোন রোকসানার কাছ থেকে রায়হানকে উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো বলেন, রায়হানের বাবা-মা রোহিঙ্গাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ৪৫ হাজার টাকা ৭০০ টাকা মুক্তিপণ জোগাড় করে তাদের ছেলেটিকে উদ্ধার করার জন্য। কিন্তু এই টাকায় তারা রায়হানকে ছেড়ে দিতে রাজিও হয়নি।

এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা সম্পূর্ণ ঘটনা স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এরুপ অপহরণকারী চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের জোড়ালো সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এআই

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়