নোবেল সম্পর্কে যেসব তথ্য ফাঁস করলেন সালসাবিল

আগের সংবাদ

আখাউড়ায় ব্রাইট ফিউচার হাতিয়ে নিল কয়েক কোটি টাকা

পরের সংবাদ

জাতীয় শিব মন্দির চত্বরে জিএম কাদের

বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৩ , ৪:৪৭ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ২০, ২০২৩ , ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

ভারত হচ্ছে আমাদের সব চেয়ে কাছের এবং বড় প্রতিবেশী। ভারতের জনগণ সবসময় আমাদের পাশে ছিলো। শুধু একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ নয়, সকল প্রয়োজনেই ভারত বন্ধু প্রতিম দেশ হিসেবে আমাদের পাশে ছিল। আমাদের সংস্কৃতি, চেহারা ও ইতিহাসে মিল আছে। বর্তমানে ভারত শুধু সামরিক শক্তি নয়, অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছে। বন্ধুপ্রতিম দেশের উন্নয়নের সাথে আমরাও উপকৃত হচ্ছি। ব্যবসা, চিকিৎসা এবং শিক্ষার জন্যও ভারত আমাদের কাছে দরকারি। আমাদের স্বার্থেই ভারতের সাথে সুস্পর্ক রাখা জরুরি। বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না।

শনিবার (২০ মে) রাজধানীর দয়াগঞ্জের জাতীয় শিব মন্দির চত্বরে স্বামী শ্রী অধোক্ষানন্দ দেবতীর্থ মহারাজের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, পৃথিবীর সকল ধর্মই শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের কথা বলেছে। প্রতিটি ধর্মই মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়ণের কথা বলেছে। বাংলাদেশের মানুষ হাজার বছর ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ঐতিহ্য লালন করছে। সাকল ধর্মের মানুষ যেন আত্মীয়তার বন্ধনে বাঁধা। দেশের মানুষের রক্তের মধ্যেই আছে ধর্মনিরপেক্ষতা। অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আমাদের শেখাতে হয় না।

প্রতিবেশী সকল দেশের সাথেই জাতীয় পার্টি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাস করে জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের সাথে আমাদের যেমন সম্পর্ক রাখা দরকার, তেমনি আমাদের সাথেও ভারতের সম্পর্ক রাখা জরুরি। ভৌগলিক কারণেই বাংলাদেশের সাথে ভারতে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। কারণ, ভারতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে বাংলাদেশকে যেনো কেউ ব্যবহার করতে না পারে। ভারতে ন্যায্য দাবি হচ্ছে, বাংলাদেশকে ব্যবহার করে কেউ যেন ভারতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে। পরস্পরের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভারত শক্তিশালী সম্পর্ক। এ কারণেই ভারতে যে সরকারই আসে তারাই বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা পরস্পরের ভাই হিসেবে থাকবো, একে অন্যের বিপদে পাশে থাকবো। বাংলাদেশ ও ভারত একইসাথে সার্বিক উন্নয়ণের পথে এগিয়ে যাবে।

এডভোকেট বিধান বিহারী গোস্বামীর সভাপতিত্বে ও জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের ত্রিপুরা বিধান সভার ডেপুটি স্পিকার শ্রী রাম প্রসাদ পাল। জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সত্য রায় চৌধুরী, এসকে বাদল, তরুন চক্রবর্তী প্রমুখ।

কেএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়