বিদেশিদের সঙ্গেও বিএনপির মিথ্যাচার করে থাকে: তথ্যমন্ত্রী

আগের সংবাদ

রানা প্লাজা ধস ‘১ যুগেও মামলা নিষ্পত্তি হবে না’

পরের সংবাদ

রানা প্লাজা ট্রাজেডি

শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ অধরাই

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২২ , ১০:৩৯ অপরাহ্ণ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২২ , ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

* আইনের মারপ্যাঁচে শ্রমিকদের বঞ্চিত করেন মালিকরা

* ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক হলেও অনেক কারখানা তা করে না

* ইমারত শ্রমিকরা দুর্ঘটনা ও বঞ্চনার শিকার হন বেশি।

বৈদ্যুতিক তারের স্পর্শে ঝলসে যাওয়া মিস্ত্রি আব্বাস আলী। ২০২০ সালের জুন মাসে বাসাবোর একটি ভবনের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হন। শরীরের প্রায় ১৫ শতাংশ ঝলসে যাওয়া বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি আব্বাস আলী বলেন, কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ একটি টিন এসে তারের উপরে পড়ে। সেখান থেকে কি হলো বুঝতে পারলাম না। জ্ঞান ফিরলে দেখলাম হাসপাতালের বিছানায়। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। কিন্তু আজো কোনো ক্ষতিপূরণ পাইনি। আব্বাসের মতো এমন অনেক শ্রমিক রয়েছেনরয়েছেন- যারা বছরের পর বছর ঘুরেও ন্যয্য ক্ষতিপূরণ পাননি। আবার অনেকে মামলা করলে মামলার পেছনে ছুটতে হবে মনে করেও ক্ষতিপূরণ আদায় থেকে পিছিয়ে আসেন।

স্বামীর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ না পেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কোমেলা খাতুন। এ ভুক্তভোগী জানান, তার স্বামী সাহেব আলী ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত অ্যাফিক্স কনসিউমার প্রোডাক্ট লিমিটেড কারখানায় আনুমানিক নয় বছর ধরে কাজ করেন। গত বছরের ২০ জুলাই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়ে পথে অসুস্থ হলে টাঙ্গাইলের সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ ঘটনা জানার পর বকেয়া মজুরি বিশ হাজার টাকা কারখানার ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন বাসায় গিয়ে কোমেলার হাতে দিয়ে আসেন। কিন্তু মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়নি। কর্মরত/চাকরিরত অবস্থায় কোনো শ্রমিক মারা গেলে শ্রম আইনের ১৯ ধারা ও ২৮ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার কথা থাকলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে শ্রম আদালতে মামলা (মামলার নং ৫২৯/২১) করেন কোমেলা খাতুন।

বিদেশি ক্রেতা এবং আন্তর্জাতিক চাপে পোশাক কারখানাগুলোতে অগ্নিনির্বাপণসহ নিরাপত্তা ইস্যুতে নজর দেয়া হলেও পোশাক খাতের বাইরে থাকা দেশের অন্য খাতগুলোর কারখানায় শ্রমিকের নিরাপদ কর্মপরিবেশের ব্যাপারে মালিকদের আগ্রহ নেই বললেই চলে। ফলে এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মৃত্যুর পর পরিবারগুলোকে অসহায় অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সম্পদেরও ক্ষতি হচ্ছে। এদিকে, শিল্পকারখানার শ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে কোনো দুর্ঘটনায় মারা গেলে তার ক্ষতিপূরণের বিধান আছে পাঁচ লাখ টাকা। কিন্তু সরকারের দুই লাখ টাকা ছাড়া মালিক ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির টাকা শ্রমিকরা পান না। আর ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক হলেও অনেক কারখানা তা করে না। বিভিন্ন আইনের মারপ্যাঁচে বরাবরই মালিকপক্ষ শ্রমিকদের বঞ্চিত করে।

বাংলাদেশে ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনসে ভয়াবহ আগুনে ১১২ জন গার্মেন্টস শ্রমিক মারা যান। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে মারা যান ১ হাজার ১৭৫ জন শ্রমিক। তারপর আরো অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের হিসাব অনুযায়ী এর বাইরে ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত আরো প্রায় ৫০০ শ্রমিক বিভিন্ন শিল্পকারখানার দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। শ্রম আইন অনুযায়ী, যেসব কারখানায় কমপক্ষে ১০০ শ্রমিক আছে সেখানে গ্রুপ বিমা থাকা বাধ্যতামূলক হলেও বিমা কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের পর বেশিরভাগ শিল্পকারখানাই এ গ্রুপ বীমা করেনি। জানা গেছে, বিমা করা হলেও শ্রমিকরা ঠিকমতো কিস্তি পরিশোধ করে না। পরবর্তীতে বিমার পরিবর্তে পেনশন স্কিমের আওতায় আনার পরিকল্পনা করে সরকার। কিন্তু নানা জটিলতায় ২০১৭ সালে তাও স্থগিত করা হয়।

শ্রম অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে দুর্ঘটনায় আহত ৩৩ জন শ্রমিক এবং নিহত ৫৪ জন শ্রমিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা মালিকপক্ষের মাধ্যমে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালের জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে মোট ২৫টি দুর্ঘটনা সংঘটিত হলেও মালিকপক্ষের কাছ থেকে কোনো টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় করা যায়নি। এসব দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শ্রমিকরা যে পরিবেশে কাজ করেন এবং আগুন বা অন্য কোনো ঘটনায় যেভাবে মূল ফটকে তালা মারা থাকে তা শ্রম আইনবিরোধী। এ ক্ষেত্রে অবহেলাজনিত হত্যার ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ আরো বেশি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব ঘটনায় কোনো মালিককে শাস্তি পেতে দেখা যায়নি। সামগ্রিক তদারকির অভাব, মালিকদের মুনাফার লোভ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উৎকোচের প্রবণতা এসব খাতের শ্রমিকদের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। এমন বাস্তবতায় গত বছর একটি জাতীয় কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটি ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬০০ কারখানা পরিদর্শন শেষ হয়েছে। কারখানায় গিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার দেখা পায়নি কমিটির পরিদর্শক দল। অধিকাংশ কারখানার নকশায় ত্রæটি রয়েছে, নেই অনুমোদন। অনেক কারখানারই সরকারি বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র নেই, অনেকগুলোরই ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায়নি। তালিকায় রয়েছে অনেক বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানও।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতা তাসলিমা আক্তার ভোরের কাগজকে বলেন, আমরা অনেকদিন থেকেই দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু শ্রম আইনের বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি। সামান্য কিছু পরিবর্তন হয়েছে। সেটা দিয়ে নিহতের পরিবার বা আহতদের যে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে, তা এক ধরনের সহযোগিতা মাত্র। ক্ষতিপূরণ যথাযথ হয়নি বলে আমরা মনে করি। তিনি বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি, নিহতের পরিবারকে এক জীবনের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তিনি বলেন, তাজরীন বা রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আহতরা এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দায়দায়িত্ব নিতে সরকার বা মালিকপক্ষ কেউ এগিয়ে আসেনি। তিনি বলেন, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন দরকার। তারা যাতে টিকে থাকতে পারে, এজন্য সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আরেক নেতা জুলহাস বাবু বলেন, যেখানে শ্রমিকদের নেগোসিয়েশন পাওয়ার বেশি থাকে, সেখানে শ্রমিকরা তাদের পাওনা বেশি আদায় করতে পারে। পোশাক খাতে শ্রমিকরা আগের তুলনায় অনেক সচেতন। এরপরও এখানে সবাই যে সুবিদা ভোগ করছে তা নয়। নির্মাণ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে শ্রমিকরা মারা যাচ্ছে বা বিল্ডিং থেকে পড়ে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। তাদের সংগঠন এবং নেগোশিয়েশন পাওয়ার কম বলে এসব সংবাদ পত্রিকায় যেমন কম আসে, তেমনি তারা ক্ষতিপূরণও খুবই কম পান। জুলহাস বলেন, পোশাক খাতের ইউনিয়ন শক্তিশালী হওয়ার পরও অনেক সময় তারা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হন। যেমন, সম্প্রতি আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার একজন নারী শ্রমিক ধর্ষণের স্বীকার হয়েছেন। কিন্তু মালিকপক্ষ তার পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা করে মামলা এবং ক্ষতিপূরণ দুটোই স্থগিত করেছে।

ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের (ইনসাব) সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক ভোরের কাগজকে বলেন, মর্মান্তিকভাবে মারা যাওয়া শ্রমিকদের আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী এক জীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ, আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণও পুনর্বাসন, নিখোঁজ শ্রমিকদের অবিলম্বে উদ্ধার এবং তার সংখ্যা প্রকাশ, বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ী সব পক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ সব কারখানা বন্ধ করে দেয়া এবং সব শ্রমিকের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার এবং অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারের জন্য সরকারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি। তিনি বলেন, ইমারত নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে লাখ লাখ শ্রমিক জড়িত। এ শিল্পের শ্রমিকেরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছে। শ্রম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দেখভাল করার কথা থাকলেও দায়িত্ব পালনে অবহেলা করছেন। মালিকদের অতি মুনাফা লোভের কারণে নিরাপত্তা বেষ্টনী ব্যবহার না করে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর ফলে প্রতিনিয়ত নির্মাণ শ্রমিকরা আহত ও নিহত হচ্ছেন। অপরাধীরা শাস্তি না পাওয়ায় এ অপরাধ বন্ধ হচ্ছে না। ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব) এর সবুজবাগ থানা কমিটির সভাপতি মো. গিয়াসউদ্দিন ভোরের কাগজকে বলেন, যে কোনো দুর্ঘটনায় সরকার থেকে কিছু সুবিধা পাওয়া যেত, তবে মালিক পক্ষ থেকে পাওয়া যায় না বললেই চলে। তিনি বলেন, মালিক প্রভাবশালী হলে তো একেবারেই পাওয়া যায় না।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন ২৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯৭টি শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কারখানা আছে, যারা খাদ্য উৎপাদন করে। তিন হাজার ৩২৬টি কারখানা আছে বস্ত্র খাতে। প্রকৌশল খাতে আছে ২ হাজার ৭০৪টি কারখানা। এসবের মধ্যে ৬৪৫টি গ্রিন ফ্যাক্টরি বা পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে চিহ্নিত। এসব কারখানাকে নিরাপদ কারখানাও বলা হয়। কলকারখানা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩৭ হাজার ৩২৭টি কারখানা, দোকান ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন পরিদর্শকরা। করোনার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৩ হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন তারা। এর আগের বছর ২৬ হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, গত ১১ বছরে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যেখানে দায়িত্ব পালনে অবহেলাই সবচেয়ে বড় কারণ। একটি শিল্পকারখানা নির্মাণ করতে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ সনদ ছাড়াও কলকারখানা অধিদপ্তর, রাজউক, ফায়ার সার্ভিসসহ আরো বহু সংস্থা থেকে অনুমতি নিতে হয়। কারখানায় দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করলে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনুমতিও নিতে হয়। এগুলো সময়ভিত্তিক হালনাগাদও করতে হয়। এসব কারখানা সঠিকভাবে চলছে কিনা, তা তদারকিতে নিয়োজিত সংস্থাগুলো যথাযথভাবে তদারক করছে না। জনবল ও অবকাঠামোর সংকটের দোহাই দিয়ে বছরের পর বছর চলছে। পোশাক কারখানায় ক্রেতাদের চাপে একধরনের নিয়মতান্ত্রিকতা বজায় থাকলেও অন্য কারখানার ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে, ঢাকাসহ সারাদেশে দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে হাজারেরও বেশি কারখানা। সেখানে যেমন নেই কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা; তেমনি নেই পর্যাপ্ত সিঁড়িও। এসব কারখানায় নিয়মিত নজরদারিও করা হয় না। আর এ কারখানাগুলো ঢাকা, টঙ্গী, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও সাভার এলাকায় অবস্থিত। এসব কারখানার মধ্যে আছে কেমিক্যাল কারখানা, প্রসাধনী কারখানা, বিস্কুট, জুস, ফুড কারখানা, ইলেকট্রনিক্স কারখানা এবং টেক্সটাইল মিল। সংস্থাটির তথ্যে, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানাগুলোর প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তৈরি করতে বারবার বলা হলেও ভবন মালিকরা তা শোনেন না। ভবন নির্মাণের পর ফায়ার সার্ভিস থেকে অগ্নিঝুঁকি নেই এমন ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক হলেও অনেকে এটি মানছেন না। অনেক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে শ্রমিকদের মহড়ার ব্যবস্থা করা হয় না।

এসএইচ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়