করোনায় আরও ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৭

আগের সংবাদ

ডেঙ্গু: ২২ বছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানি ও শনাক্ত

পরের সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার কাছে বাংলাদেশের অসহায় আত্মসমর্পণ

প্রকাশিত: নভেম্বর ৪, ২০২১ , ৬:২০ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২১ , ৬:২০ অপরাহ্ণ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস হেরে আগে ব্যাট হাতে লড়াই করতে পারেনি লিটন-মুশফিকরা। অজি বোলারদের সামনে কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি মাহমুদউল্লাহ বাহিনী। ফলে ১৫ ওভারে ৭৩ রানে অল আউট বাংলাদেশ। জবাবে ৮২ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।

৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট হাতে সময় নষ্ট করেনি অজিরা। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ শুরুতেই ঝড় তোলেন। অপরপ্রান্তে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন ডেভিড ওয়ার্নার। তবে দলীয় ৫৮ রানে অধিনায়ককে হারায় অস্ট্রেলিয়া। অ্যারন ফিঞ্চ ২০ বলে চারটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে ৪০ রান করে আউট হন। এরপর মিচেল জয়ের বন্দরে নোঙ্গর করেন। ডেভিড ওয়ানার ১৮ রান করে আউট হন।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লিটন দাস এক বল খেলেই আউট হন। মিচেল স্টার্কের প্রথম বল ঠেকান ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। পরের বলে স্টার্কের ১৪৪ কিলোমিটার গতির সামনে দাড়াতেই পারেনি লিটন। তিনি বোল্ড হয়ে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন। এরপর দলীয় ৬ রানে আউট হন সৌম্য সরকার। তিনি ৫ রান করেন। তৃতীয় ওভারে ক্রিজে মুশফিকুর রহিম। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মুখোমুখি হয়ে প্রথম বল ওয়াইড। পরের বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে বল ঠেলে নিলেন সিঙ্গেল। মোহাম্মদ নাঈম পরের দুই বল খেলে যখন তিনি স্ট্রাইকে এলেন, আর থাকতে পারলেন না। এলবিডব্লিউ হলেন মুশফিক ১ রান করে। ভালো একটা গতি ফিরিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ১১তম ওভারে অ্যাডাম জাম্পা বল হাতে নিয়ে পান সাফল্য। ২৯ রানের জুটি ভেঙে দেন শামীমকে পেছনে ম্যাথু ওয়েডের ক্যাচ বানিয়ে। ১৭ বলে একটি করে চার ও ছয়ে ১৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপ দিয়ে অভিষিক্ত ব্যাটসম্যানকে। পরের বলেই মেহেদী হাসান এলবিডব্লিউ। আম্পায়ার আঙুল তুললে রিভিউ নেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান, কিন্তু সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি।আফিফ হোসেন অ্যাডাম জ্যাম্পার বলে খোঁচা মেরে ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে।

এরপর শামীম পাটোয়ারী আর মাহমুদউল্লাহ মিলে অবশ্য প্রতি আক্রমণে আশা জাগিয়েছিলেন বাংলাদেশের। তবে জ্যাম্পার বলে সে আশাও শেষ হয় দলের। জায়গা বানিয়ে খেলতে চেয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন শামীম। পরের বলে শেখ মেহেদী হাসানও জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়েই উইকেট হারিয়ে বসেন। মাহমুদউল্লাহও টিকলেন না আর বেশিক্ষণ। দলীয় ৬৫ রানে মিচেল স্টার্কের বলে ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তাতে বাংলাদেশ নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন রানের লজ্জার মুখেও পড়ে যাচ্ছিল আরেকটু হলে। তবে তাসকিন আহমেদ আর মুস্তাফিজুর রহমানের কল্যাণে সে লজ্জা থেকে রক্ষা পায় দল। তবে এগোতে পারেনি বেশিক্ষণ। জ্যাম্পার শিকার হয়ে মুস্তাফিজ আর শরিফুল ফিরলে বাংলাদেশ অলআউট হয় ৭৩ রানেই। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে আর বড় স্কোর তুলতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ।

ডি- এইচএ

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়