১৭ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব

আগের সংবাদ

দুগ্ধ শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

পরের সংবাদ

মিতু হত্যাকাণ্ড, থানায় জিডি আসামি মুছার স্ত্রী পান্নার

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২১ , ৫:৫৯ অপরাহ্ণ আপডেট: জুন ১, ২০২১ , ৫:৫৯ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রামে আলোচিত মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার ‘পলাতক’ আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার পরদিনই পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে জবানবন্দি দেওয়ায় ক্ষতির শঙ্কায় তিনি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বলে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মাহবুব মিল্কী জানান।

তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে ঘটনার পর তাকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। গতকাল তিনি জবানবন্দি দিয়েছেন। তাই নিজের ক্ষতি সম্ভাবনা ভেবে তিনি জিডি করেছেন বলে জানান।

পান্না আক্তার বলেন, ‘আমি নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছি।’ এখন কেউ হুমকি দিয়েছে কিনা বা কোনো কারণে নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন কিনা জানতে চাইলে পান্না আক্তার বলেন, ‘এখন হুমকি দেয়নি। পাঁচ বছর আগে দিয়েছিল।’

সোমবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মো. রেজার কাছে পান্না আক্তার ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্রগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে ফিরে পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে তিনি মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ভিডিও দেখে পুলিশ যাদের চিহ্নিত করেছিল, তাদের একজন হলেন বাবুলের ‘সোর্স’ মুছা। আদালতে ওয়াসিমের দেওয়া জবানদন্দিতেও মুছার নাম এসেছিল।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে মামলাটি আসে পিবিআইয়ের হাতে। এরপর গত ১১ মে মামলার বাদী বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরদিন ১২ মে পিবিআই প্রধান সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, বাবুল নিজেই তার স্ত্রীকে হত্যার সঙ্গে ‘জড়িত’। এরপর বাবুলের করা মামলাটিতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আর বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন পাঁচলাইশ থানায় নিজের জামাতাকে প্রধান আসামি করে আটজনের নামে নতুন একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নতুন এ মামলায় বাবুলের ‘সোর্স’ মুছাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়। আসামির তালিকায় নাম থাকা মুছার বড়ভাই সাইফুল আলম শিকদার সাক্কুকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পিবিআই’র দাবি মিতু হত্যার পর লোক মারফত কয়েক দফায় মুছাকে টাকা পাঠিয়েছিল বাবুল আক্তার।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়